
আশিকুর রহমান শান্ত, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামে সালিশি মীমাংসার মধ্যে বাবুল গংদের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে স্থানীয় জামাল উদ্দিন এর ছেলে মো. এমদাদুল্লাহ (২২)।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে পূর্বের জমি জমার বিরোধ মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে একটি সালিশিতে বসা হয়। কিন্তু কোন ধরণের মীমাংসা ছাড়াই সালিশি শেষ করা হয়। সালিশদাররা যে যার যার মত চলে যাওয়ার পর অভিযুক্ত বাবুল গংরা ভুক্তভোগী এমদাদুল্লার সাথে কথা কাটাকাটিতে জড়ান। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মো. বাবুল (৪৫) এর নেতৃত্বে মো. আশিক (২৫), মো. হোজাইফা (১৯), মো. ইদ্রিস (৩০), মো. হামিম (১৭) ও মো. আল আমিন (৩৫) এলোপাথাড়ি পিটিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে এক পর্যায়ে আহত ইমদাদুল্লাহ জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি বর্তমানে এখনো ভোলার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধ মীমাংসার জন্য আবু মালের বাড়ির দরজায় একটি সালিশি বৈঠক ডাকা হয়। সালিশি বৈঠকে কোন ধরণের সমাধান না হওয়ায় সালিশদাররা আইনের আশ্রয় নেয়ার কথা বলে সালিশি শেষ করে।
এরই মধ্যে বাবুলের নেতৃত্বে ছয় সাতজন এসে ইমদাদুলার সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। বাক বিতন্ডার একপর্যায়ে সকলে সম্মিলিতভাবে ইমদাদুল্লার উপর হামলা করে।
তাকে প্রচন্ড মারধর করার একপর্যায়ে তার মাথা ফেটে যায়। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের কারণে ইমদাদুল্লাহ জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবুল এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করে নিজের দায় এড়িয়ে বলেন, শালিশি শেষে সবাই যার যার মত চলে যাওয়ার পর পোলাপান এই কাজ করেছে।
সম্পাদক :
এস এম ইকবাল হোসেন
প্রধান কার্যালয় : ক/৫২, প্রগতি স্বরণী,
ভাটারা, ঢাকা-১২১৯ ।
কর্পোরেট অফিস : এফ-২২৮/১, বিশ্বাস ভিলা, উত্তর ছায়াবিথী, জয়দেবপুর,গাজীপুর-১৭০০, গাজীপুর মহানগর।
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১
০৫১৪৬৪ , +880 1833-133149
ই-মেইল: sonalivor.net@gmail.com, lnewsbd.mail@gmail.com