তারেক রহমান জাহাঙ্গীর, গাজীপুর মহানগর : “আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি। গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি। ঘুম-ঝিমুনির ভাব যখন, গাড়ি চালাতে নেই তখন। চালকের হাতে মোবাইল ফোন, মৃত্যু ঝুঁকিতে সবার জীবন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ছোটদেওয়া এলাকায় গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী টপ-নচ ড্রাইভিং স্কুল এর তিন মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন গাজীপুরের স্বনামধন্য হাসপাতাল গ্রীন হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব এর এমডি ও গাজীপুর প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল মোল্লা ও ধলাদিয়া ডিগ্রী কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রধান মিসেস আফরোজা।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন আরো অনেকেই। পরীক্ষায় মোট নম্বর ৩০ (ত্রিশ) এর মধ্যে ৩০ নাম্বার পেয়ে ১ম স্থান অধিকার করেন গ্রীন হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব এর এমডি মো. ইসমাইল মোল্লা, আর দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ৩০ এর মধ্যে ২৯.৫০ পেয়ে ২য় হোন ওনার স্ত্রী ধলাদিয়া ডিগ্রী কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রধান মিসেস আফরোজা।
এ সময় তিনি বলেন, বুড়ো বয়সে স্বামী স্ত্রী এই পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এক ব্যতিক্রমধর্মী অভিজ্ঞতা হলো। আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া আদায় করছি যে স্বামী স্ত্রী দুজনে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম এবং দ্বিতীয় হয়েছি। এটা একটা অন্যরকম অনুভূতি। এই প্রশিক্ষণ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেন আমার বড় ছেলে এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. মিরাফ আহসান রাফি।
তিনি বলেন, আমি আরো শ্রদ্ধার সাথে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব ও প্রশিক্ষক মো. রাব্বী সাহেবের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিকতা, দক্ষতা, প্রাণবন্ত এবং সুকৌশলে এই কঠিন বিষয়টিকে অতি সহজ করে আমাদের সকল প্রশিক্ষনার্থীদেরকে বুঝানোর জন্য। সেই সাথে আমি টপ-নচ ড্রাইভিং স্কুল এর সার্বিক সফলতা কামনা করছি। সেই সাথে দোয়া করি আল্লাহ যেন এখান থেকে দক্ষভাবে ড্রাইভিং শিখে দুর্ঘটনা হাত থেকে সকলে রেহাই পায় সেই তৌফিক দেন আমিন।
You must be logged in to post a comment.