এম এ রশীদ : বিয়ানীবাজার শেওলা ও চারখাই ইউনিয়নের আশপাশের একাধিক কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের নজরধারীর অভাবে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভূমিখেকো প্রভাবশালী চক্র। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার শেওলা ও চারখাই ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্পটে খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে নিয়ে গেছে।
মাটি কাটার ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে কেটে মাটি কেটে ট্রলি গাড়ি দিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এখানে একাধিক ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ট্রাক্টর ট্রলিতে করে মাটি নিয়ে যেতে দেখা যায়।
এ সময় নাম না প্রকাশ করার শর্তে ঐ এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ফসলি জমি থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকটর করে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এতে একদিকে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি রাস্তা দুর্বল হয়ে পড়ছে। ভারী যান চলাচলের কারণে এলাকার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ধুলাবালির কারণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
তিনি আরো বলেন, অনেক জমিতে স্বাভাবিক ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন দৃশ্যমান প্রদক্ষেপ না নেয়ায় সরকারি জমির মাটি কেটে একটি মহল লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা (এক্সিল্যান্ডের) কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে তুতু নামের এক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছি। আমাকে লোকেশন দিয়ে যান। আমি খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
পরবর্তীতে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, এসিল্যান্ড নাম জানতে চান। জানা যায়, কামরান নামের ব্যক্তি দিন ও রাতের আধারে তার নিজস্ব ট্রলি গাড়ি দিয়ে ব্যবসা করছে। তার কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি। সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের শেওলা ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল। আওয়ামী সরকারের আমলে সে তার ক্ষমতার দাপটে অনেক মানুষের ক্ষতি করেছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন কামরান কিভাবে প্রকাশ্যে মাটি কেটে রাস্তা নষ্ট করছে।