• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলার ৪টি আসনে চরমোনাই পীরের দলসহ জামানত হারাচ্ছেন ২১ প্রার্থী রাঙ্গামাটিতে যৌথ অভিযানে মাদকসহ ৮ কারবারি আটক জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে : ইসি রাঙামাটিতে জাল ভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন নওগাঁ-৬ আসনের ভোটাররা রাঙামাটিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ, দীর্ঘ লাইনে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি কাপাসিয়ায় সালাউদ্দিন আইউবীর দাঁড়িপাল্লার পক্ষে অভূতপূর্ব গণজোয়ার রাঙামাটিতে ‘ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল’ কাণ্ডে তোলপাড়: পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক দিদার ২ দিনের রিমান্ডে লালমনিরহাট-১ আসনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন জামায়াত প্রার্থী পূবাইলের করমতলা এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
স্বাগতম আমাদের অনলাইন নিউজ পোটাল  "Sonalivor" সত্য প্রকাশে আপোষহীন....... সারা দেশ ব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে, হটলাইন - 01833-133149

ভোলার ৪টি আসনে চরমোনাই পীরের দলসহ জামানত হারাচ্ছেন ২১ প্রার্থী

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আশিকুর রহমান শান্ত, ভোলা জেলা প্রতিনিধি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা জেলার চারটি আসনের ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২১ প্রার্থী জামানত হারাবেন। মোট ভোটের নূন্যতম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তারা জামানত হারাচ্ছেন।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলা জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল হাই আল হাদী। তিনি জানান, পরাজিত সকল প্রার্থীদের ভোটের হিসেব করে প্রার্থীদের জামানতের বিষয়টি কোর্টে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির ৪জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩জন, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ২জন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ১জন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) ১জন, আমজনতা দলের ২জন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ১জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ১জন ও স্বতন্ত্র ৬জন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। সে হিসেবে ভোলার চার আসনের ২৯ প্রার্থীর মধ্যে সাড়ে ১২শতাংশ ভোট না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা ২১জন।

ভোলা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলা-১ (সদর) আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ১৮১। সাড়ে ১২শতাংশের হিসেব অনুযায়ী ওই আসনে জামানত রক্ষার জন্য নুন্যতম ২৬ হাজার ৬৪৭ ভোট পাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিলো। সেখানে এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আকবর হোসাইন লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন মাত্র ৫৯৯ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতিকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৪৫ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী চেয়ার প্রতিকে পেয়েছেন ৩০৩ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের মো. আইনুর রহমান জুয়েল ট্রাক প্রতিকে পেয়েছেন এক হাজার ১০৩ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান আম প্রতিকে পেয়েছেন ২১৭ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিজুল হোসেন সূর্যমুখী ফুল প্রতিকে পেয়েছেন ১৩৪ ভোট।

তাদের সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৬২। জামানত রক্ষার নুন্যতম ২৭ হাজার ৭০৭ ভোটের বিপরীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম রিটু লাঙ্গল প্রতিকে পেয়েছেন ৪৫০ ভোট। এলডিপি প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী ছাতা প্রতিকে পেয়েছেন ৩৮১, আমজনতার দলের মো. আলাউদ্দিন প্রজাপতি প্রতিকে পেয়েছেন ৩৭০ ভোট।

এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাছলিমা বেগম ফুটবল প্রতিকে পেয়েছেন ২৯১, মহিবুল্যাহ খোকন হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪৬ ও মো. জাকির হোসেন খন্দকার মোটরাসাইকেল প্রতিকে পেয়েছেন ৫৯৬ ভোট।

ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৯০১। জামানত রক্ষার নুন্যতম ২৭ হাজার ২৩৭ ভোটের বিপরীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন লাঙ্গল প্রতিকে পেয়েছেন ৭৮৯। ইসলামী আন্দোলনের মো. মোসলেহ উদ্দিন হাতপাখা প্রতিকে সাত হাজার ২৫৫, গণঅধিকার পরিষদের মো. আবু তৈয়ব ট্রাক প্রতিকে ২৬০, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রহমাত উল্লাহ হেলিকপ্টার প্রতিকে পেয়েছেন ৫০৮ ভোট।

ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার ৬০৯। জামানত রক্ষায় নুন্যতম ৩৭ হাজার ৯৫১ ভোটের বিপরীতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দিন হাতপাখা প্রতিকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৩৫ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান লাঙ্গল প্রতিকে পেয়েছেন ৫৪৫, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) প্রার্থী আবুল কালাম সিংহ প্রতিকে পেয়েছেন ২০৮, আমজনতার দলের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন রুমী প্রজাপতি প্রতিকে পেয়েছেন ১৭৬ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ফুটবল প্রতিকে পেয়েছেন ২৩৫ ভোট।

ভোলা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোলার চার আসনে মোট ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৩ জন। ভোটের শতকরা হার ৫৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

More News Of This Category

Recent Comments

No comments to show.