কামাল খান, নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির প্রতীক। এ উৎসবকে ঘিরে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে সংশ্লিষ্ট শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও আয়োজকদের যথাযথ সম্মান ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আজ (মঙ্গলবার) সিলেট নগরীর ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ এবং শ্রীহট্ট সংস্কৃত কলেজ প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রুতি এবং আনন্দলোক আয়োজিত পৃথক বর্ষবরণ উৎসবে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সীমিত সম্পদ দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তার অভাবে এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক অঙ্গন দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সিলেটের সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ কমপ্লেক্সে সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিশু-কিশোরদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি নববর্ষের এ শুভক্ষণে সকলকে অতীতের ভুলত্রুটি পরিহার করে ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ এবং এ অঞ্চলের মানুষও সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় তিনি তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বেই একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
শেষে তিনি সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া, সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, সাংস্কৃতিক কর্মী হিমাংশু বিশ্বাস ও শামসুল বাসির শেরু, আনন্দলোকের পরিচালক রানা কুমার সিংহ, শ্রুতির সদস্য সচিব সুকান্ত গুপ্ত ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
You must be logged in to post a comment.